বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
 |
| সৈয়দ জিন আরিফকে দাওয়াত দেয়া প্রসঙ্গে |
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ
[Readers of other languages are encouraged to use Google Translate to read the content in their own language! The Google Translate tool is available right here on this page—simply locate it and click!]
নোটিশ নংঃ ০৯
প্রদানের তারিখঃ ২৪ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি.
বিষয়ঃ সৈয়দ জিন আরিফকে ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক, ধর্মীয়, দেশি বা আন্তর্জাতিক; যে কোন প্রয়োজনে বক্তৃতা, বিবৃতি বা বয়ান পেশ করার জন্য দাওয়াত বা এ ধরনের যে কোন প্রয়োজনে স্বাক্ষাতকারের উদ্দেশ্যে ম্যাসেজ প্রদানের মাধ্যম এবং নিয়ম-নীতি প্রসঙ্গে। |
নোটিশঃ এতো দ্বারা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সৈয়দ জিন আরিফকে তার ব্যক্তিগত বা তার জিন সম্ভন্ধীয়, বা ধর্মীয় অথবা সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় বা আন্তর্জাতিক কোন বিষয়ে, দেশি-বিদেশী যে কেউ যদি কোন পাবলিক অনুষ্ঠানে বা যদি কোন বৈধ ১ম সারির মিডিয়ায় শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা বা বিবৃতি বা স্বাক্ষাতকারের উদ্দেশ্যে দাওয়াত দেয়ার প্রয়োজনে, যদি কেউ যোগাযোগ করতে চান তবে,
পাবলিক প্লেসে বক্তৃতা দেয়ার জন্য হোক বা বয়ান করার জন্যে হোক বা কোন মিডিয়ায় স্বাক্ষাতকার প্রদানের জন্য হোক বা সম্মানিত দর্শক মন্ডলীকে প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে এ জাতীয় কোন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্যে হোক; বা এ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের বা মিডিয়ার বা অনুষ্ঠানের ভিউয়ার বা সাবস্ক্রাইবার বা পাঠকের সংখ্যা যদি নূন্যতম ১ লক্ষ না হয়; এবং সৈয়দ জিন আরিফকে হাদিয়া স্বরূপ যে বা যারা কমপক্ষে ১ লক্ষ টাকা প্রদান করতে পারবেন না; তারা সৈয়দ জিন আরিফকে এ ধরনের কোন প্রয়োজন নিয়ে দাওয়াতের উদ্দেশ্যে কোন ধরনের ম্যাসেজ প্রদান করবেন না! সে সাথে এ ধরনের প্রয়োজনে দাওয়াত প্রদানকারীদের দাওয়াতের বা স্বাক্ষাতকারের বিষয় যদি জনগুরুত্বপূর্ণ না হয়, তাহলে তাদেরকেও এ ধরনের কোন ম্যাসেজ প্রদানের প্রয়োজন নাই! সরকারি বা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ব্যতিত এ ধরনের কারো দাওয়াতে তিনি কোথাও যাবেন না! সুতরাং যে বা যারা তাকে দাওয়াত দিতে চান তারা অবশ্যই উপরে উল্লেখিত ভিউয়ার বা সাবস্ক্রাইবার বা পাঠকের সংখ্যার প্রমাণপত্র দাখিল করে এবং বিষয়টি যে জনগুরুত্বপূর্ণ তার প্রমাণ পত্র প্রদান সহ ও তার সম্মানী ফি ১ লক্ষ টাকা প্রদান করে অনুষ্ঠানের কমপক্ষে ২ মাস আগে, তা কনফার্ম করতে হবে!
এবং তিনি যে কারো, এ ধরনের দাওয়াত গ্রহণ করে তা ফাইনাল করছেন কিনা, তা তাকে যে ব্লগে প্রশ্ন করেছেন সে ব্লগেই অথবা ফোনে জানানোর পর, আবার তার সফর সিডিউল নামক ব্লগে উল্লেখ করবেন! সেখানে তার ফাইনালকৃত সফর সিডিউল তিনি লিখে রাখবেন!
এছাড়া তার ফাইনালকৃত যে কোনো ধরনের সফর, তিনি তার যে কোনো প্রয়োজনে, কোন কারণ উল্লেখ করা ব্যতীতই, তিনি বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করেন!
সুতরাং যাদের বিষয়ে সফর ফাইনাল হয়েছে বলে জেনেছিলেন, তারাও তার সফর সিডিউল নামক ব্লগে নিয়মিত চোখ রাখবেন! কারণ তিনি যে কোন মুহূর্তে, যে কোন প্রয়োজনে, তার ফাইনালকৃত যে কোনো সফর বাতিল করতে পারেন!
তিনি যদি কোনো সফর, কোন বৈধ কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে বাতিল করেন, তবে তাকে প্রদান করা, তার সম্মানী ফি তিনি অবশ্যই ফেরত প্রদান করবেন!
উপরোক্ত নিয়ম কানুন সমূহ আসলে টাকার ধান্দা নয়; বা মানুষকে অবহেলাও নয়; এটি আসলে বিষয়টির প্রতি গুরুত্বারোপ, এবং তার ব্যয় ও নিরাপত্তা এবং সম্মানের সহিত সম্পর্কিত!
সুতরাং, দূর্ভিসন্ধি করে তাকে শারীরিক-মানসিকভাবে নির্যাতনের উদ্দেশ্যে যারা তাকে দাওয়াত দিবেন, বা যদি কেউ দেন, তবে এটি এ ধরনের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা স্বরূপ হিসেবেই বিবেচিত হবে!
তাই তার বিরুদ্ধে কোন ধরনের, যদি দূরভিসন্ধি প্রমাণিত হয়, তবে তিনি এই টাকা আর ফেরত প্রদান করবেন না!
অতএব কেউ এ বিষয়ে অযথা মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি সবাইকে অনুরোধ করছেন!
আবার যদি কোথাও কেউ দূর্ভিসন্ধি করে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাকে দাওয়াত দেন এবং তিনি যদি সেখানে অপমানিত হন; তাকে যদি শারীরিক ও মানসিকভাবে টর্চার করা হয়, তবে তিনি আইনানুগভাবে এর কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করবেন!
এছাড়া ইতিমধ্যে তিনি জানিয়েছেন যে, তিনি তার নিজস্ব ঘরের ব্যক্তিগত রুমে, একাকী খাদ্য গ্রহণ করেন! এবং তিনি এখানেও কোথাও কোন ধরনের খাদ্য গ্রহণ করবেন না বলে বিষয়টি জানাচ্ছেন!
আর এ বিষয়টি তার একান্তই ব্যক্তিগত শারীরিক সমস্যার প্রয়োজনে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন!
তাই তার ব্যক্তিগত সুস্থতার কারণে, তিনি যেখানেই দাওয়াত বা সাক্ষাৎকারের উদ্দেশ্যে যান না কেন, তিনি কোথাও কোন ধরনের খাবার দাবার গ্রহণ করবেন না!
এ বিষয়ে যে কাউকে যে কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি করা থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ করছেন!
তাই যে কোথাও, যে কেউ, তাকে যে কোনো ধরনের খাবার বা পানীয় গ্রহণ করার জন্য, অনুরোধ করতে পারবেন না!
অন্যদিকে এ নিয়ম-নীতির বাহিরে তিনি নিজ থেকে যদি কোথাও যান, বা কোন ধরনের খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ করেন, তবে তা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত ব্যাপার এবং সেটা তার সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র বিষয়!
অতএব এ ধরনের বিষয়ে কেউ তাকে কোন ধরনের প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারবেন না!
আবার, কারো যদি সাক্ষাতকারের স্থান জনাব সৈয়দ জিন আরিফের নিজস্ব বাসা বা নিজস্ব কোন অফিসও হয়, তাহলেও তার বা তাদের জন্যেও উপরোক্ত সকল নিয়ম কানুন প্রযোজ্য হবে!
উপরে উল্লেখিত নিয়ম কানুন সমূহ, যদি সৈয়দ জিন আরিফের সাথে থাকা, তার জিন বোনেরা মানবাকৃতিতে প্রকাশ্যে তার নিকট উপস্থিত হয়, তবে এরপর, যখন তিনি এ বিষয়গুলো মেনে চলার জন্য এবং এই বিষয়ে কার্যক্রম আরম্ভ করার জন্য, নোটিশ প্রদান করবেন, তখন থেকেই শুধুমাত্র উপরোক্ত নিয়ম কানুন সমূহ বলবৎ হবে!
যদি কেউ জনাব সৈয়দ জিন আরিফকে বক্তব্য বা স্বাক্ষাতকারের প্রয়োজনে দাওয়াত দিতে চান, তবে কমপক্ষে আপনার বা আপনাদের অনুষ্ঠানের বা প্রয়োজনীয়তার ২ মাস আগে দাওয়াত দিয়ে ম্যাসেজ প্রদান করবেন!
ম্যাসেজ বা ইমেইল শুধুমাত্র বাংলায় অথবা ইংরেজিতে লিখতে হবে! এবং এ ম্যাসেজের মধ্য অবশ্যই অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় কথা পরিহার করতে হবে!
সৈয়দ জিন আরিফ বা তার পক্ষ থেকে, তার ব্যক্তিগত বিষয়ে, অথবা তার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়ে, ইতিপূর্বে যেসব নোটিশ প্রদান করা হয়েছে, এবং সেখানে যেসব নিয়ম-নীতির কথা লিখা ছিলো বা আছে, এগুলোর বিষয়ে পরবর্তীতে যদি কোন নিষেধবাণী সম্বলিত নোটিশ প্রদান করা না হয়, তবে তা হুবহু বলবৎ থাকবে!
সুতরাং তার সাথে যোগাযোগ করতে শুধু এ নোটিশটি নয়, অন্যান্য সব নোটিশ সম্পর্কেই জ্ঞান রেখে এবং তার বা তাদের সকল প্রতিষ্ঠানের নিয়মকানুন সম্পর্কে জানার পরই কেবল, তার সাথে বা তার কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করতে হবে!
বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ!
সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপরোক্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলার জন্য বিনীত আহবান জানানো হচ্ছে!
অনুরোধক্রমে,
সৈয়দ জিন আরিফ ও তার জিন
0 Comments