বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

সৈয়দ জিন আরিফ

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ


[Readers of other languages ​​are encouraged to use Google Translate to read the content in their own language! The Google Translate tool is available right here on this page—simply locate it and click!]


নোটিশ নংঃ ০৩
প্রদানের তারিখঃ ১৪ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.

বিষয়ঃ সৈয়দ জিন আরিফের শরীরে বা তার সাথে জিন আছে কিনা এ পরীক্ষা চালানোর বিষয়ে যে কোন কার্যক্রম গ্রহণ বা এ বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা প্রদান প্রসঙ্গে।

নোটিশঃ এতো দ্বারা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, যেহেতু সৈয়দ জিন আরিফ বুঝতে পেরেছেন, তার শরীরে ও তার সাথে জিন আছে এবং যে বিষয়টি তার এলাকার প্রায় সব গুলো মানুষ বিশ্বাসও করেন! 
তাই তার জিনকে ওপেন করতে পারার আগে বা পরে (সম্ভব হলে) তার শরীরে বা তার সাথে আসলেই জিন আছে কিনা তা জানতে, বা তার শরীরের বা তার জিনের বৈশিষ্ট্য কী, তা বুঝতে পরীক্ষা চালানোর উদ্দেশ্যে তার শরীর থেকে কোন ধরনের রক্ত, কফ, মল, মূত্র বা বীর্য গ্রহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ‍থাকবে! 
এ কাজে তার শরীরে কোন ধরনের সূইঁ ফোটানো যাবে না! 

হ্যাঁ, তিনি যদি স্ব-ইচ্ছায় বুঝতে চান যে, জিনগ্রস্থ মানুষ ও সাধারণ মানুষের মধ্যকার পার্থক্য কী, বা জীনে ধরা মানুষের বৈশিষ্ট্য কী; বা যদি এসবের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে তিনি বুঝতে পারেন, তখন তিনি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এসব করাবেন! বরং মানব সেবায়, মানুষ ও জিন জাতির উপকারার্থে যা যা প্রয়োজন, তিনি তার সবই করাবেন!

এবং এ কাজে তাকে কোন ধরনের ঔষুধ খাওয়ানো, বা এ উদ্দেশ্যে তাকে কোন ধরনের খাদ্য বা পানীয় খাওয়ানো বা ঘ্রাণ নিতে বলা অথবা এ উদ্দেশ্যে তাকে কোন ধরনের গুণীন-বৈদ্যের কাছে প্রেরণ করা বা তাবিজ খাওয়ানো বা শরীরে তাবিজ ঝুলানো বা কালো যাদু করা বা বান মারা বা তাবিজ করা বা কূফরী সিস্টেমে কোন ধরনের চেষ্টা-তদবীর করা; এ কাজ গুলো করা যাবে না!
এছাড়াও এ প্রমাণের উদ্দেশ্যে তাকে বিশ্বের যে কোন বড় হুজুরের কাছে প্রেরণ করতে তার মতের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ করা বা যে কোন কৌশলে তাকে যেতে বাধ্য করা, বা কাউকে বড় হুজুর বা পীর সাহেব হিসেবে মানতে বাধ্য করা; এসব নিষিদ্ধ থাকবে!

যদি এ জাতীয় কোন কাজের সাথে কোন মানুষ বা জিনকে জড়িত পাওয়া যায়, বা কেউ এ ধরনের কাজ করতে অন্য কাউকে উষ্কানি দেয় এবং এতে জনাব আরিফ বা তার জিন যদি ক্ষতিগ্রস্থ হয়, তবে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে! এবং প্রয়োজনে তাকে বিধি মোতাবেক কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে!  

জনাব আরিফের শরীরে বা তার সাথে জিন আছে কিনা, এর প্রমাণে তার সাথে কথা-বার্তা, তার চাল-চলন পর্যবেক্ষণ, তার আচার-ব্যবহার, তার শরীর হতে বহির্গত বিভিন্ন উপস্বর্গ, মানুষের সাথে তার ব্যবহার, বিভিন্ন ধরনের ইশারা-ইঙ্গিত; অর্থাৎ তার শারীরিক ও মনস্তাত্বিক বিশ্লেষণ এবং গবেষণার মাধ্যমেই শুধুমাত্র বিষয়টি বুঝে নিতে হবে!

সংশ্লিষ্ট সকলকে উপরোক্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলার জন্য বিনীত আহবান জানানো হচ্ছে!!


নির্দেশক্রমে,

সৈয়দ জিন আরিফ ও তার জিন