বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

সৈয়দ জিন আরিফ

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ

নোটিশ নংঃ ০৭
প্রদানের তারিখঃ ১৫ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.

বিষয়ঃ সৈয়দ জিন আরিফের স্বভাব বা অভ্যাস সমূহ ও তার এ স্বভাব বা অভ্যাস সমূহের প্রতি সম্মান রেখে তার সাথে যে কোন ধরনের যোগাযোগ করার বিষয়ে বাধ্যবাধকতা প্রসঙ্গে-।

নোটিশঃ এতো দ্বারা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, যেহেতু আপনারা জানেন, জনাব সৈয়দ জিন আরিফের শরীর, মন ও ব্রেনে জিন বা জিন জাতির সদস্যবৃন্দ অবস্থান করছেন; তাহলে আপনাদেরকে বুঝতে হবে তিনি আপনাদের মতো সাধারণ মানুষ নয়! 
আপনারা যারা তাকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনেন ও জানেন, তারা নিশ্চয় বলতে পারবেন, তিনি প্রায় সব সময় বিভিন্ন পেটের রোগ সহ নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় ভূগেন! তিনি দাওয়াতে বা এখানে সেখানে ভালো খাওয়ার দাওয়ার করতে পারেন না; অমনি তার পেটের রোগ বেঁধে যায়!
তার বুঝ মতে এগুলো আসলে সরাসরি তার রোগ নয়; এগুলো তার শরীরে জিন বা জিন জাতির সদস্যরা থাকায় তাদের ক্রিয়াগত, অথবা সে হেতু মানুষের মুখদোষ থেকে সৃষ্ট! 
আবার যেহেতু তার শরীরে অন্য একটি প্রজাতি বসবাস করে, তাই তার স্বভাব এবং অভ্যাস বাকি মানুষদের চাইতে আলাদা হবে, এটি স্বাভাবিক! তাই তার এ স্বভাব ও অভ্যাস গুলোর কারণে কেউ মনে কষ্ট নিবেন না; এটা তার স্ত্রী, পুত্র, কন্যা, ভাই-বোন, শশুর-শাশুড়ি, অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন বা সমাজ ও দেশের গণ-মান্য ব্যক্তিবর্গ সহ দেশি-বিদেশী যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট তিনি যৌক্তিক ভাবেই প্রাপ্য!
এরপরও যদি কেউ, কেন তার স্বভাব এ রকম বলে তাকে দোষারোপ করতে চান, বা তার এসব স্বভাব বা ব্যবহার উদ্দেশ্য প্রণোদিত মনে করেন বা অহংকার বা হিংসা করে তিনি এ রকম করছেন, বলে তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন; তবে দয়া করে এ ধরনের লোকগণ, তিনি যেই হোন না কেন; তিনি যেন দয়া করে জনাব সৈয়দ জিন আরিফের সংস্পর্শে না আসেন! তাকে জনাব আরিফ থেকে দূরে থাকতে হবে, এটি তার প্রতি সৈয়দ জিন আরিফের নির্দেশনা! 

নিম্নে তার স্বভাব সমূহ কী কী তা ক্রমিক আকারে উল্লেখ করা হলো-

১। তিনি তার পার্সোনাল ঘরে বা তার জন্য তৈরী করা নির্দিষ্ট রুম বা রুম সমূহে সম্পূর্ণ একা থাকেন! তিনি তার সাথী জিন ছাড়া আর কোন মানুষ বা জিনকে সাথে রাখেন না!

২। বিয়ের পর তার সাথী জিন তার হুকুম ব্যতীত, তার জীবন থেকে ইন্তেকাল পর্যন্ত, মানে তাকে ছেড়ে ১ সেকেন্ডের জন্যেও, কখনো কোথাও যাবেন না! তার শরীরে মিশে বা তার নিকটে থেকে তার যে কোন কাজ বা তার যে কোন অবস্থায় তার সাথে থাকবেন! অর্থাৎ তিনি যা করবেন তার সাথী জিনও তাই করবেন! তিনি যা দেখবেন, তিনি যা শুনবেন, তিনি যা চিন্তা করবেন বা তার শরীর, মন ও ব্রেনে যা থাকবে; তার সাথী জিনও পিজিক্যালী বা শারীরিক অবয়বে এবং আন পিজিক্যালী বা ভার্সুয়ালী এর অংশীদার হবে বা হতে পারবে! 
তার মানে জনাব সৈয়দ জিন আরিফের এবং তার জিনের একই শরীর, মন ও ব্রেনের দু’টি রূপ হবে! জনাব আরিফের শরীর, মন ও ব্রেন যেটি হবে; তার জিনেরও সেটিই হবে! বাস্তবিক ভাবে মানুষ জনাব আরিফের যে শারীরিক অবয়ব দেখতে পাচ্ছে, এটি মানুষ বা আরিফেরও শরীর; আবার জিনেরও শরীর! তিনি একদিকে যেমন মানুষ, অপরদিকে তেমন জিন! তিনি একই সাথে দৈত সত্ত্বা; জিন ও মানুষ! 
তাই নিম্নের দিকে জনাব আরিফের যে সব স্বভাব ও অভ্যাসের কথা লিখতে গিয়ে, শুধু জনাব আরিফের কথা বলা আছে; সেখানে অবশ্যই তার জিনও শামীল রয়েছেন! 
মানে জনাব আরিফ বলতেই বুঝাবে জনাব আরিফ এবং তার জিন! তারা এ দু’টি সত্ত্বা সম্পূর্ণ অবিশ্চেদ্য একই শারীরিক রূপের দুটি অবয়ব! তাই কোথাও তাকে একাকী বলা হলেও বা লিখা হলেও আসলে তিনি একাকী নয়! এটা লিখার সুবিধার্থে বা বলার সুবিধার্থে বা স্বাভাবিকতার কারণে হয়তো এভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বা হবে মাত্র, আর কিছু না!
সুতরাং তাদের এ শরীর, মন ও ব্রেন দ্বারা যা অর্জিত হবে, তা তাদের দু’জনেরই অর্জন হবে এবং তা তাদের দুজনের উপরই সমান ভাবে বন্টিত হবে! তাদের দু’জনই  সমান সমান হারে বা ৫০%-৫০% করে তাদের এ সাফল্যের মালিক হবে!

তবে বিয়ের আগেও, অর্থাৎ বর্তমান সময়েও উপরে উল্লেখিত নিয়মেই তারা একসাথেই থাকবেন! কারণ তাদের উপর বর্তমান এ মুসলিম সমাজ বা বর্তমান ইসলামী আইন বা এ মুসলিম বিশ্ব জোর করেই তাদেরকে বিশ্চিন্ন রাখছেন! মজলুম করেছেন!
মানে পবিত্র কুরআন ও হাদীস অনুযায়ী তাদের মতে তারা প্রাপ্য ছিলেন, কিন্তু ইসলামী বিশ্ব তাদের বিয়ের বৈধতা দিচ্ছে না! ফলে তারা মজলুমও হবেন, আবার হকও পাবেন না, এমনটি হতে পারে না! 
তাই তার একান্ত পার্সোনাল কাজের সময়, যেমন পেশাব-পায়খানার সময় বা তার বর্তমান মানব স্ত্রীর সাথে সহবাসের সময় বা এ ধরনের অন্য কোন কাজ বা অবস্থার সময়, তার জিন তার শরীরের সাথে মিশে বা তার নিকটে থাকবেন, কিন্তু এসব দেখবেন না! 
এছাড়া বিয়ের পরেও এসব কাজে তার জিন তার শরীরে মিশে বা তার সাথে থেকে ভদ্রতা ও শালীনতার সহিতই তাকে দেখা শুনা করবেন! 
অন্যদিকে তার সাথী জিনের সঙ্গী বা সহচরগণ সবসময় ভদ্রতা, নম্রতা ও শালীন ভাবেই তার সাথে থাকবেন ও ব্যবহার করবেন! 
তবে ইসলাম অনুযায়ী যত টুকু জায়েজ হবে, এর সবটাই সকলে করতে পারবেন!! 

৩। তিনি তার খাওয়ার রান্না করার কাজে নিয়োজিত কুক ব্যতিত আর কারো রান্না খান না! তিনি তার পার্সোনাল রুমে সম্পূর্ণ একাকী খাওয়ার পরিবেশন করেন! তিনি মানুষ বা কোন জিনের সামনে বা কারো সাথে কোন ধরনের খাওয়ার-দাওয়ার গ্রহণ করেন না! তার সাথী জিন তার সাথেই খাওয়া-দাওয়া করবে! বা কখনো যদি একান্তই প্রয়োজন পড়ে তবে তখন কেবলমাত্র তার স্ত্রী ও পুত্র-কন্যাগণের সাথে তিনি খাওয়া-দাওয়া করবেন, আর কারো সাথে না! যা উপরে বলা আছে! 
এছাড়া তার ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বা জাতীয় বা আন্তর্জাতিক কোন ক্ষেত্রে বা বিশেষ কোন অনুষ্ঠানে, যদি অতীব প্রয়োজন পড়ে, তবে তখন শুধু  ঐ সময়ের জন্য তিনি অন্যকারো রান্না বা অন্য কারো সাথে বা সকলের সাথে খাবেন কিনা বা তাকে তখন সকলের সাথে খেতে হবে কিনা, তা প্রয়োজনীয়তার আলোকে তিনি উপস্থিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হয়তো খাবেন! বা খেতে পারেন!

৪। তার রান্না ঘরে কোন মানুষ বা জিনের প্রবেশাধিকার নিষেধ থাকবে! তার রান্না ঘরে শুধু তার জন্যেই রান্না করা হবে!

৫। সরকারি বা দেশি-বিদেশী বা আন্তর্জাতিক কোন নিরাপত্তায় নিয়োজিত কোন প্রতিষ্ঠানের আইনানুগ সদস্যদেরকে এবং দেশি- বিদেশী প্রথম সারির মিড়িয়া ব্যক্তিত্বগণ তার এ পার্সোনাল ঘরে, যা এক নং ক্রমিকে উল্লেখ করা আছে, সেখানে প্রবেশ করতে পারবেন! তবে প্রবেশের আগে তার কাছ থেকে এর অনুমতি নিতে হবে!  

৬। সাধারণত তিনি কোন দাওয়াত খাবেন না! এ জন্য তাকে খাওয়ানোর উদ্দেশ্যে, আত্মীয় হোক বা অনাত্মীয় হোক বা রাষ্ট্রীয় কোন আমন্ত্রণ বা নিমন্ত্রণ হোক, আপনি যেই হোন না কেন, তাকে কেউ দাওয়াত করতে পারবেন না! তিনি কোন আত্মীয় বাড়িতে বা কোন প্রতিবেশির ঘরে বা কোন হোটেল বা রেস্তোরায় বা এখানে সেখানে অর্থাৎ তার পার্সোনাল ঘর বা রুম ব্যতিত সচরাচর অন্য কোথাও তিনি কোন ধরনের খানা-পিনা করবেন না! 

৭। তিনি নিজের প্রয়োজনে বা কারো আমন্ত্রণে যদি কোথাও সফরে যান, তবে তার পার্সোনাল কুক বা কুকদেরকে নিয়ে যাবেন! যদি কোথাও কুক নেয়ার প্রয়োজন না পড়ে বা সুযোগ না থাকে; তবে তিনি তার নিজস্ব ওয়েতে নেয়া শুকনা খাবার ছাড়া স্বভাবত বা সাধারণ ভাবে আর কোন খাবার খাবেন না!

৮। যদি কোথাও কোন কারণে কুকও নেয়া সম্ভব না হয় এবং শুকনা খাওয়ারও তার সাথে না থাকে; তাহলে সতর্কতার সহিত তার পছন্দমত যে কারো সম্মানজনক সরবরাহকৃত  খাওয়ার তিনি  গ্রহণ করতে পারেন! এটা তার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ব্যাপার, জরুরী অবস্থা মোকাবেলায় তাকে কোথায় খেতে হবে বা খাবেন, আর কোথায় খেতে হবে না বা খাবেন না, তা তিনিই নির্ধারিত করবেন! এ বিষয়ে তাকে প্রেসার ক্রিয়েট করা যাবে না! 

৯। তিনি তার প্রয়োজনে বা তার পারিবারের যে কোন সদস্যের প্রয়োজনে তার স্ত্রী বা স্ত্রীদের ঘরে যাবেন! কিন্তু সেখানে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে বা প্রয়োজন মতো অবস্থান করে, তিনি তার পার্সোনাল ঘরে চলে আসবেন!

১০। তিনি কোন খতম পড়বেন না! যা ভারতীয় উপ-মহাদেশের মানুষ বিভিন্ন রোগমুক্তি ও অন্যান্য হাজত পুরনে বা সাওয়াবের আশায় বা গুণাহ মাফের জন্য পড়িয়ে থাকেন! এবং কারো আহবানে কবর জিয়ারতে যাবেন না! তার কাছে খতম পড়ার জন্য, কবর জিয়ারতের জন্য কেউ আসতে পারবেন না! 

১১। তিনি  ডাক্তার বা কবিরাজ বা গুণীন বা খোনার নয়! তাই তিনি কোন ধরনের তাবিজ-তুমার, ঝাড়-ফুঁক, ঔষুধ-পথ্য ইত্যাদি দেন না! অর্থাৎ তিনি কোন ধরনের তদবীর বা চিকিৎসা করেন না! অতএব এ ধরনের কোন উদ্দেশ্যে নিয়ে তার নিকট কেউ আসতে পারবেন না! হ্যাঁ, তার জিন, মানব আকৃতিতে যদি আগত হয়, বা মহান আল্লাহু তা’য়ালার রহমতে যদি জিনকে মানব আকৃতিতে দৃশ্যমান করে জনাব আরিফ, তার নিকট তিনি নিয়ে আসতে পারেন, এবং তখন যদি জিন বলে যে, তিনি চিকিৎসা করতে পারবেন বা অন্য কোন জিন সদস্য বা সদস্যগণ দিয়ে চিকিৎসা করাবেন বা করাতে পারবেন; তাহলে এ বিষয়ে ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা যথা সময়ে বিস্তারিত ভাবে এ ব্লগে নোটিশ দিয়ে তা সর্ব সাধারণকে জানিয়ে দেয়া হবে! 

১২। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রয়োজন ছাড়া আথবা নিরাপত্তাজনিত কারণ না থাকলে সাধারণত তিনি কারো সাথে দেখা দিবেন না! এবং এ ধরনের কোন প্রয়োজন ব্যতিত শুধু মুহাব্বত করে ভক্ত হিসেবে তার সাথে দেখা করার জন্যে বা তার কাছ থেকে দোয়া খায়েরের জন্যে; কেউ তার নিকট আসতে পারবেন না! অর্থাৎ মুরিদেরা যেমন তাদের পীর সাহেবেদের কাছে যায়, এভাবে তার নিকট কেউ আসতে পারবেন না! বা এ ধরনের কোন প্রয়োজন ব্যতিত কারো সাথে তিনি কোন ধরনের স্বাক্ষাতকার প্রদান করবেন না!  
তবে দুনিয়ার কোন হাজত পুরনের উদ্দেশ্যে, যদি তার হাজত পূরণে জনাব আরিফের সক্ষমতা থাকে, যেমন কাউকে চাকুরী-বাকুরী দেয়া বা অন্য যে কোন কাজ কর্ম দেয়া বা অন্য যে কোন হাজত পূরণ করা; তাহলে এ ধরনের যে কোন প্রয়োজনে যে কেউ তার প্রতিনিধির নিকট বা ঐ কাজে নির্ধারিত ব্যক্তির নিকট যেতে পারবেন! তার প্রতিনিধি বা ঐ কাজে নির্ধারিত ব্যক্তি যদি সংশ্লিষ্ট ঐ ব্যক্তির হাজত পূরণ করতে না পারেন, এবং তার প্রতিনিধি যদি মনে করেন যে, জনাব আরিফের কাছে গেলে তিনি প্রার্থীত ব্যক্তির হাজত পূরণ করতে পারবেন, তাহলে কেবলমাত্র সে ক্ষেত্রে এবং তার অনুমতি স্বাপেক্ষে তখন সৈয়দ জিন আরিফের কাছে যেতে পারবেন! 
উল্লেখ্য যে, তার সৃজনশীল ও গবেষণা মূলক কাজের গতিকে মন্থর করার আশংকাতেই তিনি মানুষদেরকে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রদান করলেন!

১৩। তিনি ব্যক্তি বিশেষ থেকে বা গ্রাম্য কোন দল বা প্রতিষ্ঠান থেকে অথবা জেলা বা উপজেলা কেন্দ্রীক প্রতিষ্ঠিত কোন সরকারী বা বেসরকারী প্রতিষ্ঠান না হলে, তবে এ ধরনের কারো কাছ থেকে, কোন ধরনের  হাদিয়া, তোহফা বা সম্মাননা বা নগদ টাকা বা অন্য কোন ধরনের পুরষ্কার বা এ ধরনের কিছুই তিনি গ্রহণ করবেন না! তবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পদক, পুরষ্কার বা সম্মাননার জন্য যদি তিনি মনোনিত হন, তাহলে তা তিনি সাদরে গ্রহণ করবেন!

১৪। তিনি তার পার্সোনাল ঘর বা পার্সোনাল অফিস বা তার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান সমূহ ব্যতিত কারো দাওয়াতে তেমন কোন অনুষ্ঠানে যাবেন না! তবে জাতীয় ও অন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের দাওয়াত পেলে যাবেন! এছাড়া যেখানে তার ইচ্ছা বা ‍প্রয়োজনীয়তা আছে বলে তিনি মনে করেন, এ ধরনের অনুষ্ঠানে যেতে পারেন!

১৫। যদি কোন অনুষ্ঠানে তিনি যান, তবে তাকে কোন ধরনের তোপ ধ্বনি ‍দিয়ে বা কোন ধরনের গান-বাজনা দিয়ে সম্মান প্রদর্শন করা যাবে না! কোন অনুষ্ঠানে তাকে ফুলের মালা পরিয়ে দেয়া বা দু’পাশে ছেলে-মেয়েদেরকে দাঁড় করিয়ে বা যে কাউকে দাঁড় করিয়ে ফুল ছিটানো এসব করা যাবে না! বিশেষ করে নারীদেরকে দিয়েতো এসব করাই যাবে না! বিশেষ করে বেপর্দানশীল কোন অনুষ্ঠানে তাকে যাওয়ার জন্য দাওয়াত দেয়া যাবে না!

১৬। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রয়োজন বা নিরাপত্তাজনিত কারণ বা ভবিষ্যত রেফারেন্স জনিত সংরক্ষণ ব্যতিত; অন্য যে কোন বা যে কারো ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজনে তিনি কখনো তার ছবি তুলবেন না! বা ভিডিও ধারন করবেন না!
সুতরাং তিনি তার বাড়িতে থাকেন, কিংবা তার অফিসে থাকেন, বা পৃথিবীর যেখানেই থাকেন না কেন; এ ধরনের প্রয়োজন ব্যতিত কেউ তার কোন রূপ ছবি বা ভিডিও ধারন করতে পারবেন না! তবে এসবের প্রয়োজন হলে, তখন তিনি নিজেই তার নিজস্ব কনটেন্ট ক্রিয়েটর দিয়ে এসব প্রয়োজনীয় ছবি বা ভিডিও ধারন করবেন!
সুতরাং যদি কখনো তিনি কারো আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে, কোন অনুষ্ঠানে যোগদান করেনও, তবে সেখানে যাতে অপ্রয়োজনে যেন তার ছবি বা ভিডিও ধারন না করা হয়, তা নিশ্চিত করেই তাকে দাওয়াত দিতে হবে! 
এবং এ ধরনের অনুষ্ঠান সমূহে নিজেদের কৃতিত্ব বা গৌরব প্রকাশ করার জন্যে বা বা তাদের প্রচারের স্বার্থে বা নিছক বিনোদনের স্বার্থে যে ছবি সমূহ তুলা হয়, এবং পরে এগুলো ফেসবুক সহ বিভিন্ন সোসাল মিডিয়া পোস্ট করা হয়; এগুলোতে কখনোই জনাব আরিফকে আহবান করা যাবে না! 
অতএব, আপনি তার আত্মীয় হন বা তার বন্ধু-বান্ধব হন বা প্রাণ প্রীয় ভক্ত হন; অর্থাৎ যেই হন না কেন, তার সাথে সেল্ফি তুলতে বা ছবি বা ভিডিও ধারন করতে, তাকে রিকোয়েস্ট করতে পারবেন না! এবং আপনি যেই হোন না কেন, তার বিনা অনুমতিতে তার কোন ছবি বা ভিডিও সোসাল মিডিয়ার কোথাও পাবলিস্ট করতে পারবেন না! বা ব্যক্তিগত ভাবে কারো কাছে পাঠাতে পারবেন না! 

১৭। আত্মীয়, প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধব, পরিচিত বা যে কারো সূত্রের কথা স্মরণ করিয়ে সাধারণত তার নিকট কোন কিছু চাইতে বা চাকুরী-বাকুরীর আবেদন করতে, বা কোন ধরনের কর্মের আবেদন করতে পারবেন না! বা যে কোন ধরনের প্যাসেলিটি পাওয়ার জন্যে বা কারো শাস্তি মওকূফের জন্যে ব্যক্তিগত ভাবে তার নিকট কেউ কোন ধরনের সুপারিশ করতে পারবেন না! 
তার কাছে সকলেই সমান! তার বা তাদের রুলস অনুযায়ী তার নিকট থেকে সকলেই সমান ভাবে পাবেন! 
তবে তিনি নিজ থেকে তার কোন আত্মীয় বা প্রতিবেশী বা বন্ধু-বান্ধব বা পরিচিতজনকে বা যোগ্য কাউকে কোন কোন প্যাসিলিটি ‍দিতে পারেন! এটা কারো রিকোয়েস্টে হবে না, এটা সম্পূর্ণ তার নিজ থেকে হবে! 

সৈয়দ জিন আরিফের উপরোক্ত স্বভাব ও অভ্যাস সমূহ মেনেই কেবল তার সাথে সম্পর্ক স্থাপনের বা তার সাথে যে কোন ধরনের যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হলো! 

নির্দেশক্রমে,

সৈয়দ জিন আরিফ ও তার জিন